জয়ন্ত সরকার
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি চুপচাপ বসে আছি সেই পচাত্তর থেকে,
কি বলে জনতা বাংলার মানুষ হতভাগ্য ভোটার?
যাদের উদাত্ত কন্ঠের বক্তৃতায় স্কুল ছেড়েছিলাম
মায়েয় আঁচল, ছেড়েছিলাম আমার ভিটেমাটি প্রিয়জনের মুখ
তারা গীটারের ছেড়া তারের মত বেসুরে কথা কয়।
অনেকে থেমে গেছে ঘরকুনো বেকারের মত,
আমিও তাদের মত শোনার শ্রোতা।
চুলার উনুনে ছেকা রুটির গন্ধ ,
ফিরিয়ে দিয়েছি যৌবন
একচাপ অন্ধকারে ক্ষোভ জমা রেখেছি আমার পোড়া ভিটায়,
সংসার দিয়েছি বির্ষজন ভালবাসার সুগন্ধায়,
কিছুটা বাড়াবাড়ি বকুলের ছায়ায় একটা ছোট্ট প্রতিশ্রুতির জন্য,
প্রতিশ্রুতি অনেক রাখা হয়নি
যেমন জয়বাংলা, একাত্তরের সংবিধান সমঅধিকার আরো আরো অনেক কিছু
তবুও কেন জানিনা এটুকু অঙ্গীকারে যৌবন বির্ষজন দিলাম!
পৌরুষে নিদির্ধায় জ্বালিয়ে দিলাম আগর বাতি।
আমি দেখতে থাকি ,আমার মত যারা আজও
মিনমিনে আলো নিয়ে বেঁচে আছি,
আদৌ কি যুদ্ধ হয়েছিল ?
চন্দ্রহীন রাতে কাঁদামাটি গায়ে সে কোন সময় ?
অচেনা লাশের মত ভাগারে চুপসে থাকি কর্পূর সুগন্ধি বক্তব্য শোনার পর,
রাতের বিষণ্ণ স্রোতে নেয়ে উঠি পাঁচশো সত্তর সাবানের ফেনায় ।
বিষাক্ত সময় আর একাত্তরের কালো ছায়া দুভাগ করেছে দেশ ,
পতাকার বৃত্তাকার শকুনের ধাড়াল নখর।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷