মোসলেহ উদ্দিন বাবুল
------------------------------------------------------------------------------------------
বুকের ভিতরে তুমি খঞ্জর হাতে বসে পড়ো যখন তখন,
এ বুকে সাজিয়ে রাখা থরে থরে
নিরোগ ধমনীগুলো
ছিড়ে-খুঁড়ে একাকার করো...
বিকেলের পড়ন্ত রোদে স্বেদ জমা ঘর্মাক্ত কপোলে
পরিশ্রমী-মায়াবতী কোমল বালিকা.
নিজেই খঞ্জরে কেটে
মলম লাগাও...
কা-সন্ধ্যার হালকা হাওয়ায়
থির থির করে ওড়া চূ্র্ণ-কূন্তল
কপোলের স্বেদ-বিন্দু ছুঁয়ে
লেপটে যায় বাতাসে বাতাসে...
তখনো মূগ্ধতা এসে ছোঁয়না আমাকে ...
বোতামের ঘাট ছিঁড়ে আমাকে নগ্ন করে
আবার জড়িয়ে দিলে
সবুজ বসন...
তখনো মূগ্ধতা এসে ছোঁয়না আমাকে ...
করতলে বিষ রেখে একফোটা অমৃত মিশালে
অবচেতনে
আমাকে প্রাসাদ দেবে,
এই নৈবদ্ব আমাকে ভুলিয়ে দিল
পৃথিবীর যাবতীয় মহার্ঘ সম্পদ ...
সেই প্রাসাদ কামনা করে নীলকন্ঠ হই
খঞ্জরের তীক্ষ্ণফলায় জেগে যায়
বাইশের যৌবন,
এখন প্রত্যহ প্রেম -
বুকের ভিতর তুমি খঞ্জর হাতে বসে পড়ো ষখন তখন।
.jpg)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷