আইরিন সুলতানা
-------------------
পোয়াতি মেঘের জল ভাঙ্গতেই মধ্য বরষা,
আর নীল পাহাড়ের হাঁটু ছুঁই ছুঁই জল।
তেতলার ছাদে ভুলে যাওয়া স্নানভেজা শাড়ির মত
মদনটাক পাখিটার চঞ্চুবুকডানা জড়সড়।
জাতিস্মর, বিগত জনমে জলরঙে এই ছবিটাই এঁকেছিলে?
সহস্র বর্ষাজন্ম ধরে
পাখিটা যতনে বুনেছিল মহালয়া মন্ত্র,
বালুচুড়ি আঁচলে।
পকেটে তোমার সোনামুখী সুঁই, দু`গাছি সুতো রয়ে গেল।
জলবতী মেঘ জানে ওই জন্মান্তর ভেদ।
জলবসন্ত দাগ কি অত জলদি মোছে?
জাতিস্মর, পাহাড়টা এক রত্তি বদলায়নি।
কাউকে বলেনি, জলডাঙ্গা যাবার সুড়ঙ্গপথ কী করে খুঁড়েছিলে
জন্মে জন্মে!
সুড়ঙ্গ গড়িয়ে জলধারা। নীচে জলবাষ্প। তারপর জলডাঙ্গা।
তোমায় জলবতী মেঘের দোহাই জাতিস্মর,
জলপরীকে শাড়ি দিও ভেট ।
তবেই ঘটবে বর্ষাজন্মমুক্তি ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷