বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত তিনটি কবিতা ॥ ফকির
ইলিয়াস
জন্মের অধিক যদি
জন্মের অধিক যদি থাকে কোনো অমর বিস্ময়
সবুজের পুস্পকোষে আলোরেখা ঢেউ তুলে বলে
এ মাটির স্মৃতিভূমে তাঁর ছায়া দীপ হয়ে জ্বলে
এখনো আকাশ নুয়ে বলে জয় - বাংলার জয়।
সবুজের পুস্পকোষে আলোরেখা ঢেউ তুলে বলে
এ মাটির স্মৃতিভূমে তাঁর ছায়া দীপ হয়ে জ্বলে
এখনো আকাশ নুয়ে বলে জয় - বাংলার জয়।
লগ্ন রোদের মন পোড়ে , আর পোড়ায় আষাঢ়
পরিচয় খুঁজে খুঁজে নদী যায় দক্ষিণের বনে
ফিরে এলে দেখা হবে মানচিত্রে, গ্রহের মৈথুনে
বুকের উত্তাপে বাড়া উদ্ভাসিত প্রজন্মের হাড়।
পরিচয় খুঁজে খুঁজে নদী যায় দক্ষিণের বনে
ফিরে এলে দেখা হবে মানচিত্রে, গ্রহের মৈথুনে
বুকের উত্তাপে বাড়া উদ্ভাসিত প্রজন্মের হাড়।
ঋতুর বৈচিত্র্যে লেখা যে জীবন মানুষের গানে
ভরে ওঠে প্রতিদিন সুখে-দু:খে খাল বিল মাঠে
ধানের রোপণে আর শিশুদের প্রিয় শব্দপাঠে
স্বপ্ন স্বাধীন হাওয়া বয় ধীরে , মেঘ -প্রাণে প্রাণে।
ভরে ওঠে প্রতিদিন সুখে-দু:খে খাল বিল মাঠে
ধানের রোপণে আর শিশুদের প্রিয় শব্দপাঠে
স্বপ্ন স্বাধীন হাওয়া বয় ধীরে , মেঘ -প্রাণে প্রাণে।
যে নাম থেকেই যাবে বাংলায় , গোটা বিশ্বলোকে
'মুজিব' 'মুজিব' বলে মুক্তিকামী মানুষের ডাকে।
'মুজিব' 'মুজিব' বলে মুক্তিকামী মানুষের ডাকে।
যেভাবে বরণ করি জলের কফিন
আমাকে বার বার হত্যা করে পনেরোই আগষ্টের ভোর। কিছু
উন্মুল জল এসে ঝাপটা দেয় মুখমন্ডলে । আর বলে , জাগো
হে পথিক ! দূরের ঘোর, সহযাত্রী তোমার। যেতে হবে , নদী
ও নিদ্রা পেরিয়ে। যেতে হবে, বর্ষার বৃত্ত ও বসন্তের পরিধির
ওপারে। যেভাবে ঝড় যায় । যেভাবে ঋতু যায় । যেভাবে ......
আমি দাঁড়িয়ে থাকি। তাকাই তৃণমণ্ডলের দিকে। খুব বেশী
ঘনিষ্ট ছিল যে আকাশ , দেখি - সে ও ছেড়ে যাচ্ছে ছায়া ও ছন্দ
খুব বেশী মেঘ জমছে। বৃষ্টি হবে জানি । সে বৃষ্টির জল আবারও
স্পর্শ করবে পিতার কফিন। কিছু মৃত্যু বিদায় নেবার পর
........আবারও এই বাংলায় জন্ম নেবে কিছু জন্মান্তর।
শোকের সোনালি পয়ার
সাতখণ্ড আকাশ পেরিয়ে আগস্টের ছায়াতলে এসে
দাঁড়াই। একটি সিঁড়ি পড়ে আছে রক্তাক্ত। একটি সিগ্রেট-পাইপ হাতে,
নিথর পড়ে আছে গোটা বাংলাদেশের শবদেহ। কয়েকটি শকুন ধানমন্ডি
বত্রিশ নাম্বারের বাইরে করছে পায়চারী।
শেয়ালেরা এরকমই হয়। কিংবা হায়েনারা ...
একাত্তরে এভাবেইতো ওরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সবুজ
বাংলাদেশ আর অন্তঃস্বত্তা নারীর উপর, বড় নির্মমতায়
মেলে দিয়েছিল বর্বরতার সর্বশেষ পাখনা।
একাত্তরে এভাবেইতো ওরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সবুজ
বাংলাদেশ আর অন্তঃস্বত্তা নারীর উপর, বড় নির্মমতায়
মেলে দিয়েছিল বর্বরতার সর্বশেষ পাখনা।
মানুষ ভুলে নি দিন। ২৫ মার্চের কালোরাত অথবা
১৫ আগস্টের বিভীষিকাময় ভোরের থাবা ! কী এক
নষ্ট-স্মৃতির ডানা, ঝাপটায় আজও প্রজন্মের চারপাশে !
১৫ আগস্টের বিভীষিকাময় ভোরের থাবা ! কী এক
নষ্ট-স্মৃতির ডানা, ঝাপটায় আজও প্রজন্মের চারপাশে !
সাতখণ্ড আকাশ পেরিয়ে স্পর্শ করি মেঘনার উত্তাল
ঢেউ। ডাক শুনি।
ঢেউ। ডাক শুনি।
‘একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠধ্বনি,
প্রতিধ্বনি’...



আবারও এই বাংলায় জন্ম নেবে কিছু জন্মান্তর।
উত্তরমুছুনতিনটি কবিতাই যে এক কথায় অনবদ্য নির্মাণ ! সত্যিই অসাধারন প্রিয় ব্লগার। মুজিব অমর...মুজিব অক্ষয়...জয় বাংলা...জয় বঙ্গবন্ধু ।
উত্তরমুছুনমানুষ ভুলে নি দিন। ২৫ মার্চের কালোরাত অথবা
উত্তরমুছুন১৫ আগস্টের বিভীষিকাময় ভোরের থাবা ! কী এক
নষ্ট-স্মৃতির ডানা, ঝাপটায় আজও প্রজন্মের চারপাশে !
যে নাম থেকেই যাবে বাংলায় , গোটা বিশ্বলোকে
উত্তরমুছুন'মুজিব' 'মুজিব' বলে মুক্তিকামী মানুষের ডাকে।
অসাধারণ কবি ।যেমন কবিতার শব্দ গাথুঁনি,তেমনি হৃদয় ছোঁয়া !
পিতা আমার,তোমায় লাল সালাম। জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।
উত্তরমুছুনসাতখণ্ড আকাশ পেরিয়ে স্পর্শ করি মেঘনার উত্তাল
উত্তরমুছুনঢেউ। ডাক শুনি।
‘একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠধ্বনি, প্রতিধ্বনি’...
অভিনন্দন কবি। আমার বঙ্গবন্ধু ...আমার পিতা...আমার অহংকার...বাংলার অভিসংবাদিত নেতা সর্বকালের...সর্বশ্রেষ্ট।