জাতীয় মেঘ দেখা কমিটির সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে || ফকির ইলিয়াস
__________________________________________________________
ঈদের আনন্দ পেতে অনেকেই আকাশে খুঁজেছিলেন চাঁদ।বিষণ্ন সন্ধ্যার রেখা
মিলিয়ে গিয়েছিল বেশ আগেই। কিছু বেদনার বিভা জেগে থেকেছিল সমুদ্রের
মধ্যপ্রান্তে।গাজায় যে শিশুদের নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে— তাদের স্মৃতি
ধারণ করে।একটি পাখি ডাকধ্বনি ভুলে গিয়ে, ছেড়ে গিয়েছিল প্রিয়তম দেশ।
আমি উচ্চারণের বিশুদ্ধ বিপণন ভুলে গেছি অনেক আগেই। ভুলে গেছি,
আমার পরিচয়। কোথা থেকে এসেছিলাম কিংবা কোথায় যেতে চাই।
আজকাল আমার অনেক কিছুই মনে থাকে না। বিস্মৃত জীবনের পাথরগুলো
সরাতে সরাতে খুঁজে পাই না আমার আত্মার সন্ধান। আদৌ আমি প্রাণময়
ছিলাম কী না— সেই প্রশ্নটিও আমাকে বিদ্ধ করে অহরহ।নিউইয়র্ক শহরের
পুরনো গ্রাফিটি'র মতো কিছু লাল-কালো দাগ আমার বুকে উঁকি দিয়ে
জানান দেয়, রক্তচিহ্ন প্রাচীন হয়ে গেলে কয়লা রঙ ধারণ করে।
আমি আকাশের দিকে তাকালেই কালো মেঘ দেখি। খুঁজি চাঁদ— অথচ
আমার মাথার উপর নেমে আসে মেঘের কৃষ্ণছায়া। জাতীয় মেঘ দেখা
কমিটির সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে, আমি যখন বিষয়টি আমার সতীর্থদের
জানালাম, তারা সবাই সমস্বরে বললেন— মেঘ শুধুই ভেসে যায়।মানুষের
মাথার উপর কখনও'ই ছায়াপাত করে না !
[ নিউইয়র্ক / ২৯ জুলাই ২০১৪ মঙ্গলবার॥দুপুর ১:৫৯ ]

জাগরণ বাংলাতে স্বাগতম।অভিনন্দন সুপ্রিয় ব্লগার।
উত্তরমুছুনমেঘ শুধুই ভেসে যায়।মানুষের
উত্তরমুছুনমাথার উপর কখনও'ই ছায়াপাত করে না !
আমি আকাশের দিকে তাকালেই কালো মেঘ দেখি। খুঁজি চাঁদ— অথচ
উত্তরমুছুনআমার মাথার উপর নেমে আসে মেঘের কৃষ্ণছায়া।
কমিটি টা নতুন , ভালই ......
উত্তরমুছুনঅসাধারণ!
উত্তরমুছুনAmar priyoder priyo kobi Faqir Ilias abarao valo lagay shikto korlen. Ekti puripurno kobita!
উত্তরমুছুন